কোটি কোটি ফেক একাউন্ট ব্যান করলো ফেসবুক

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। তবে দিন যত গড়াচ্ছে ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। আর এখন এতে অনেক ভুয়া ফেসবুক ব্যবহারকারীও বেড়ে চলেছেই। এর এত প্রভাব বেড়ে চলেছে যে তা এখন ঠেকানো খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে দিন যত বাড়ছে ততই কঠোর হতে শুরু করেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। সম্প্রতি তারা প্রায় ১৩০ কোটি ফেসবুক একাউন্ট বন্ধ করেছে ফেসবুক। 


ইন্টারনেটের এই যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে অপরিহার্য একটি উপাদান। বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের এই মহামারীর সময়ে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে তথ্য আদান প্রদানের এক জনপ্রিয় মাধ্যম। আর যার জন্য প্রতিদিন হু হু করে বেড়ে চলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের যুক্ত হবার পরিমাণ। 
তবে এই সংখ্যা বাড়লেই তো আর হবে না। একে নিয়ন্ত্রণ করাটা তো বড্ড জরুরি। কেননা এতে যুক্ত হয়ে গিয়েছে অসংখ্য ফেক অ্যাকাউন্ট। তবে ইদানিং এই ফেক অ্যাকাউন্টের ব্যাপারে বেশ তৎপর দেখা গিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে। 


আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক জানিয়েছে, ” গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা একটা অভিযান পরিচালনা করি ফেসবুকে। যেখানে আমরা পুরো বিশ্বে প্রায় ১৩০ কোটি ফেসবুক একাউন্ট পেয়েছিলাম যা ছিলো‌ সম্পূর্ণ ভুয়া। পরবর্তীতে আমরা এটা নিয়ে একশনে যাবার সিদ্ধান্ত নেই। আর উক্ত ১৩০ কোটি ফেক একাউন্টকে আমরা‌ ব্যান করে দিয়েছি। আমাদের এই ফেসবুকের প্ল্যাটফর্মে ৩৫ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। যারা কিনা দিন রাত পরিশ্রম করছে শুধুমাত্র ভুয়া একাউন্ট বন্ধ ও আমাদের ফেসবুকে ভুয়া তথ্য প্রচার বন্ধের কাজে। এমনকি আমরা দেখেছি করোনা ভাইরাসের অনেক ভুয়া তথ্য সম্বলিত পোস্ট রয়েছে। যেখানে আমরা ১ কোটি ২০ লক্ষের বেশি পোস্ট ফেসবুক থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”


শুধু ফেসবুক নয়। এই করোনা ভাইরাসের মহামারীর মধ্যে ফেসবুক ছাড়াও টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ছাড়াও আরো অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ও টিকা নিয়ে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি কমিটি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে যে ফেসবুকের মতোই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এই ভুয়া তথ্য বন্ধে কি ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে ফেসবুক ইতিমধ্যেই তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.