২৫২ দিন পর করোনায় সর্বোচ্চ শনাক্ত বাংলাদেশে


করোনা ভাইরাস এক আতঙ্কের নাম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। গত বছর করোনা সারাবিশ্বে থাবা মেরে বসে ছিলো। যার থাবা থেকে রেহাই পায়নি বাংলাদেশ ও। তবে বাংলাদেশে করোনার প্রভাব গতবছর তুমুল আকারে বাড়লেও সেপ্টেম্বরের পর ধীরে ধীরে একটু একটু করে প্রভাব কমতে শুরু করে। তবে এখন আবারো ধীরে ধীরে করোনার শনাক্ত বেড়ে চলছেই। গত ২৪ ঘন্টায় মোট ২৪ হাজার ৯৫৪ টি করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে মোট ৩ হাজার ৫৫৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘন্টায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিলো ২৮০৯ জন। তবে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়লেও কমেছে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছে মোট ১৮ জন।


গত ২৫২ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে আজ ২৩শে মার্চ মঙ্গলবার। উপরিউক্ত তথ্যগুলো জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা।


গত ২৪ ঘন্টায় মোট মারা গিয়েছে ১৮ জন। যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিলো ১২ জন ও মহিলার সংখ্যা ছিলো ৬ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন ১৭ জন ও একজন তার নিজ বাড়িতে মারা গিয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৩৮ জন।


এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ২১৯টি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। যার মধ্যে করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২৬৩৫৭টি। যার মধ্যে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হয় ২৫৯৫৪টি। আর সবমিলিয়ে করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭৭২৪১ জন।


গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৮৩৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার হার ৯১.১২ শতাংশ।
বাংলাদেশে গত বছর ৮ই মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছিলো। আর গত বছর ১৮ই মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত ব্যক্তি শনাক্ত হয়। গত ২৪ ঘন্টায় যে ১৮ জন মানুষ করোনা ভাইরাসে মারা গিয়েছে যার মধ্যে ৪০ বছরের উর্ধ্বে ছিলো ২ জন, ৫০ বছরের উর্ধ্বে ছিলো ৬ জন, ৬০ বছরের উর্ধ্বে ছিলো ১০ জন। আর এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের মারা গিয়েছে ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গিয়েছে তিনজন এবং রংপুর বিভাগে মারা গিয়েছে একজন।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.